প্রিন্ট এর তারিখঃ Oct 12, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Oct 12, 2026 ইং
সরকারের বাড়ানো দামেও মিলছে না এলপিজি

নিউজ ডেস্ক (চট্টগ্রাম)
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এলপিজি সিলিন্ডার না পাওয়া, পছন্দের ব্র্যান্ডের সংকট এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি অর্থ নেওয়ার অভিযোগ করছেন ভোক্তারা। দোকানে দোকানে ঘুরেও সিলিন্ডার মিলছে না; আবার কোথাও মিললেও দাম নিয়ে দর-কষাকষি করতে হচ্ছে। ফলে রান্নার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজেও ভোগান্তিতে পড়ছেন পরিবারগুলো। সরকারের বাড়ানো দামেও মিলছে না এলপিজি।
সংকটের সময় ভোক্তাকে যে বাড়তি দামে এলপিজি কিনতে হয়েছে, এখনো সেই দামেই কিনতে হচ্ছে।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর)মিরপুরের পাইকপাড়ার একজন বাসিন্দা বলেন, স্থানীয় একজন খুচরা বিক্রেতার কাছে সিলিন্ডার কিনতে গেলে তার কাছে ২ হাজার ৪০০ টাকা চাওয়া হয়।
সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে এত বেশি কেন, জানতে চাইলে ওই বিক্রেতা তাকে বলেন, তাদের কেনাই পড়ে ২ হাজার ৩০০ টাকা।
সরবরাহ সংকটের মধ্যে দাম বাড়ালেও সেই দামে কেন মিলছে না এলপি গ্যাস? তাহলে সংকট কোথায়, এমন প্রশ্ন সামনে আসছে।
এলপিজি পরিবেশকরা বলছেন, গত ২০ সেপ্টেম্বর থেকে কয়েকটি কোম্পানি সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। মেঘনা ফ্রেশ, ওমেরা, আইগ্যাস, যমুনা, পেট্রোম্যাক্স ও বিএমসহ কয়েকটি কোম্পানি বাজারে এলপিজি সরবরাহ করছে। তবে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় সংকট তৈরি হচ্ছে বলে দাবি তাদের। অন্য কিছু কোম্পানি অল্প পরিমাণে সিলিন্ডার সরবরাহ করছে, আবার কোনো কোনো কোম্পানি সরবরাহ না করেও বাড়তি দামের মূল্য তালিকা দিয়েছে। কোম্পানিভেদে ১২ কেজি সিলিন্ডারের মূল্যতালিকা ১ হাজার ৭৪০ থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে। তাদের দাবি, নির্ধারিত দামে বিক্রি করলে প্রতি সিলিন্ডারে প্রায় ১৫০ টাকা লোকসান হয়। তাই বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।
তবে ব্যবসায়ীদের বাড়তি খরচ ও লোকসানের দাবি থাকলেও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি অর্থ নেওয়ার দায় ভোক্তাদের ওপর চাপানোর যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে সরবরাহ কম থাকার সুযোগে কোথাও বাড়তি দাম নেওয়া হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।
এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। তিনি জানিয়েছেন, গণশুনানি ছাড়া এসব খরচ সমন্বয়ের সুযোগ নেই। ব্যবসায়ীদের প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে রবিবার কমিশন সভায় আলোচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে। তবে নতুন সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রির বিষয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।
ম
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ দৈনিক চট্টগ্রামপোস্ট